আমেরিকা যখন Nuclear Weapons -"পারমাণবিক অস্ত্র" নিয়ে কাজ করছে তখন চায়না করছে
জাপানে ডিফেন্স ফোর্স তৈরীতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ছিলো। জাপান প্রতিরক্ষা খাতের পুরো অর্থটাই ট্রান্সফার করে দিল শিক্ষা খাতে। যেখানে স্কুল লেভেলেই Gentility-সহবৎ শেখানোর পাশাপাশি জাপান সামরিক কৌশলও শেখালো তার বাচ্চাদের। এলিট ফোর্স নেই কিন্তু পুরো দেশের ১০০% নাগরিক যুদ্ধকৌশল শিখে বসে আছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ-সরকারি তরফ থেকে তিলে তিলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে৷ বই থেকে "মোরাল এডুকেশন" তুলে দিয়েছে। কোচিং সেন্টারের ব্যবসা চাঙ্গা করতে গিয়ে পুরো জেনারেশনকে খেলাধুলা থেকে বিরত রেখেছে। খাবারে ফরমালিন বিষ মিশিয়ে শারীরিক ভাবে দূর্বল জাতি তৈরি করেছে। টাকার লোভে ডাক্তাররা মায়ের পেট কেটে সিজারের নামে লাখ লাখ "প্রি ম্যাচিউর বেবি" বের করে এনেছে। টেলিযোগাযোগ কোম্পানি গুলো সুকৌশলে ইয়াং জেনারেশনকে ফেসবুক, ইউটিউব সহ বিভিন্ন "সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং" জগতে বন্দী করে ফেলেছে। যেখানে ১৭০ কোটি মানুষের বসবাস চীনের মত Super Power দেশে ফেসবুক ব্যবহার নিষিদ্ধ, সেখানে বাংলাদেশের সিম কোম্পানিগুলো নতুন নতুন ফ্রী প্যাকেজের নামে তরুন সমাজকে পড়ার টেবিল থেকে Virtual চ্যাট রুমে ঢুকিয়ে দিয়েছে। জোর করে সরলমনা ছাত্রদের গরল রৈখিক রাজনীতিতে যুক্ত করা হয়েছে।
একটা দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার জন্য যা যা করা দরকার তার সব কিছুই এপ্লাই করা হয়েছে৷ দেশের কোন স্ট্রং পররাষ্ট্রনীতি তৈরি হয়নি। বিজ্ঞান গবেষণায় কোন বরাদ্দ নেই। ধর্মীয় মূল্যবোধ তৈরিতে কোন আগ্রহ নেই। সংস্কৃতির নামে বেলাল্লাপনাকে উৎসাহিত করেছে। মুক্তচিন্তার দোহাই দিয়ে নাস্তিক্যবাদের প্রসার ঘটিয়েছে। সবাইকে বিসিএস গাইড ধরিয়ে দিয়ে সরকারের অনুগত করা হয়েছে। বেস্ট সেলিং এর দৌড়ে টিকে থাকতে কেউ এখন আর বুদ্ধিবৃত্তিক লেখাজোকা করতে আগ্রহী নয়। রাজনৈতিক দলগুলো মনের মাধুরী মিশিয়ে দেশাত্মবোধ গানের চেয়ে পরনিন্দার গীত বেশী গেয়ে চলেছে।
শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, রাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, বিজ্ঞান, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, পরিবেশ ইত্যাদি জনগুরুত্বসম্পন্ন সেক্টরে দীর্ঘমেয়াদী কোনো নীতিমালা নেই। "ইন্টেলেকচুয়াল পলিসি"-র ধারে কাছেও নেই। মোদ্দা কথা, সবকিছু মিলিয়ে যে কোনো সূচকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ অন্ধকার। এখানে ফ্লাইওভার নির্মাণকে উন্নতি বলা হয়, অথচ এই ফ্লাইওভার হাজারে হাজারে পড়ে আছে চায়নায়। একটা নিন্মমানের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকে বিজয় বলা হয়। অথচ নাসা ছুটে চলেছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে। একটা দেশ-যার নিজস্বতা বলতে কিচ্ছু নেই। নিজস্ব ট্রেডমার্ক নেই, নিজস্ব আবিষ্কার নেই, নিজস্ব পলিসি নেই, নিজস্ব পন্য নেই। এই দেশের তথাকথিত উন্নয়ন নিয়ে গর্ব করার কি আছে আমি বুঝি না।...!!
হাওয়ায় দেশ চলছে। ব্যাংকে টাকা রাখবেন, টাকা হাওয়া হয়ে যাবে, বুঝতেই পারবেন না৷ বিশ্ববিদ্যালয় গুলি সন্তানদেরকে চাকুরীর জন্য তৈরি করবে কিন্তু নতুন কোনো আইডিয়া শিক্ষা দেবে না।
আচ্ছা, এই যে চীন আরো ৪০ বছর আগে থেকে করোনা ভাইরাস নিয়ে কাজ করছে এই তথ্য কেন বাংলাদেশের কাছে থাকবে না? যে দেশের সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বানিজ্যিক সম্পর্ক৷ হাগু করতে গেলেও যে দেশে চাইনিজ কমেট লাগে, সেই দেশ কেন আগে থেকে চায়নাকে অবজার্ভ করবে না? কেন তারা জানবে না যে, আগামীকাল চায়না কেমন রিয়াক্ট করতে পারে? কেন আগে থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুরক্ষিত থাকবে না??
রীতিমতো একটা খাদক (ভোক্তা) দেশে পরিণত হয়েছে! যাকে বলে বাজার! ভারতের বাজার, চায়নার বাজার, পাকিস্তানের বাজার, কোরিয়ার বাজার। শুধু বাজারই না, ৩য় শ্রেণীর পন্য বিক্রি করার জন্য ১৮ কোটি ক্রেতার এক বিরাট হাট। যাকে দাসত্ব (slavery) বললেও ভুল হবে না। স্বাধীনতার তকমা জড়িয়ে থাকবে, কিন্তু দেশ, মন, মস্তিষ্ক বিক্রি করে বসে আছে অন্য দেশের কাছে। যাদের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই। পুরোটাই পরগাছা। একটা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য অন্য দেশের দিকে তাকিয়ে আছে। যদি কাল এই ভ্যাকসিন কেউ না দেয়, পুরো জাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে৷ অযথা বড় বড় ডায়লগ- "বাঙ্গালী বীরের জাতি!"
চায়না যখন আগামী ১০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর ক্ষমতা দখল করতে ব্যস্ত, আমেরিকা যখন গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে রকেট ছুটিয়ে বাসযোগ্য আবাসস্থল খুঁজে বেড়াচ্ছে, ভারত যখন একটার পর একটা নিউক্লিয়ার টেস্ট করছে, পাকিস্তান ঘাস খেয়ে খেয়ে যখন ভারতের চেয়েও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন 'ঘোরি' মজুত করছে, আমরা তখন মহাব্যস্ত ইতিহাস বিকৃতির অমূলক গবেষণায়! স্বাধীনতার ঘোষণা কে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু না জিয়াউর রহমান!! দুনিয়া যখন "স্পেস ট্রাভেল" করছে আমরা তখন একটা মেট্রোরেল তৈরি করেই নিজেদেরকে উন্নত জাতি বলে নিজেরাই নিজেদের পীঠ চুলকাচ্ছি।
হায়রে বাঙ্গালী!!
কথায় আছে-
"মূর্খের রাজা হওয়া থেকে জ্ঞানীর চাকর হওয়া উত্তম"।
Collected from: Pharmacy Review page
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রায় সকল পোস্ট-ই ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
Post Top Ad
ফেসবুকের গল্প তে আপনাকে স্বাগত। এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনো লেখা বা মতামতের জন্য 'ফেসবুকের গল্প' কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।
Post Bottom Ad

No comments