• সাম্প্রতিক

    কাল রাত্রি


    (সত্য ভৌতিক ঘটনা অবলম্বনে)

    ভদ্রমহিলা আমাকে বললেন- আপনি কাজটা ভালো করলেন না স্যার ।
    আমি বললাম পুলিশ এখনো আপনাকে দেখেনি। আপনাকে বাঁচানো আমার পক্ষে কোন কঠিন ব্যাপার নয়। এইরকম ঘটনা আমার জীবনে আগেও অনেকবার ঘটেছে । আমি আপনাকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচাতে পারি। কিন্তু আপনি কে? কাকে খুন করেছেন ? কেন করেছেন ? আমাকে সবকিছু খুলে বলুন। ভদ্রমহিলা বললেন ওই ছবিটা কার দেওয়ালে? আমি বললাম ওই ছবিটা আমার প্রাক্তন স্ত্রী পূজার।
    ভদ্রমহিলা বললেন আপনার রিভলবার টা আমাকে দিন। আমি বললাম পাগলামি করবেন না। এখানে পুলিশ আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আপনার ছুঁরিটা হাত থেকে ফেলে দিন । ভদ্রমহিলা বললেন আপনি যদি রিভলবারটা আমাকে না দেন এক্ষুনি আমি নিজেকে খুন করবো এই ছুরি দিয়ে। আর এই জন্য আপনি দায়ী হবেন। আমি বললাম আপনি আমাকে ব্ল্যাকমেইলিং করছেন?
    ভদ্রমহিলা বললেন হ্যাঁ করছি। কারণ আর হারানোর মতন আমার কিছু নেই। হঠাৎ আমার বাড়ির কলিংবেলটা বেঁজে উঠল। ভদ্রমহিলা বললেন আপনার রিভলবারটা আমাকে দিন নইলে এক্ষুনি আমি নিজের হাতের শিরা কাটবো। আর এর জন্য আপনি দায়ী হবেন, বলেই ভদ্রমহিলা হাতের শিঁরা কাটতে গেলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে আমার রিভলবারটা তার দিকে ছুড়ে দিলাম। ভদ্রমহিলা বন্দুকটা তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, দেখুন স্যার আপনাকে ভাল মানুষ বলে মনে হচ্ছে। আজ আমি ইতি মধ্যে তিনটে খুন করেছি। আর একটা খুন করলে আমার কিছু যাবে আসবে না।

    এমনিতেই ফাঁসির দড়ি আমার জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু আপনার মতন একজন ভালো মানুষ কে আমি খুন করতে চাই না। তাই যা বলছি চুপচাপ করুন। বাইরে পুলিশ এসেছে। ওরা আমাকে খুঁজছে। আপনি দরজা টা খুলুন। আমি বললাম দেখুন এইসব করতে গিয়ে আপনি নিজেকে আরো বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছেন ।
    ভদ্রমহিলা এবার চিৎকার করে বললেন; ঠিক আছে আপনি দরজা খুলুন ওদেরকে বলুন আপনার বাড়িতে কেউ নেই। বেশি চালাকি করলে আমি কিন্তু নিজেকে শেষ করে ফেলব একটা গুলিতে।
    আমি গিয়ে তাড়াতাড়ি দরজা খুললাম। দেখলাম সুপ্রিয় বাবু দাঁড়িয়ে আছেন দলবল নিয়ে। বললেন- আরে মশাই ফোনটা সুইচ অফ করে রেখেছেন কেন? আমিতো ভাবলাম ভদ্র মহিলা আপনার বাড়িতে ঢুকে পড়ল নাকি?
    আমি বললাম না না সেই রকম কিছু নয়। আপনারা বরঞ্চ ওই রাস্তার ঐপার টা ভালো করে দেখুন? আমি তাকে ঐদিকে চলে যেতে দেখেছি।

    সুপ্রিয় বাবু তার ফোর্কের বললেন তোমরা তাড়াতাড়ি ঐদিকে পুরো জায়গাটা ঘিরে ফেলা। মনে হয়না ভদ্রমহিলা বেশিদূর পালাতে পেরেছেন।
    সুপ্রিয় বাবু আবার বললেন আপনি কি নিশ্চিত যে উনি ঐদিকে পালিয়েছেন? তখন আমি আমার পেছন থেকে একটা আওয়াজ শুনতে পেলাম নারী কন্ঠ - কেগো নীল? কি হয়েছে আপনারা হঠাৎ এত রাতে?
    আমার তো গা হাত পা ঠান্ডা হওয়ার যোগাড়। সর্বনাশ! কি সাংঘাতিক এই মেয়েটা !!
    সুপ্রিয় বাবু বললেন ম্যাডাম আপনি কে?
    মহিলাটি বলল আমি উনার স্ত্রী পূজা। মহিলাটির মাথায় আবার দেখলাম সিঁদুরও দিয়েছে
    সুপ্রিয় বাবু বললেন হ্যাঁ আপনার ব্যাপারে শুনেছিলাম এই প্রথমবার দেখা হল।
    মহিলাটি বলল কিন্তু আপনারা এত রাতে এখানে কি করছেন? কাউকে খুঁজছিলেন?
    সুপ্রিয় বাবু বললেন হ্যাঁ ম্যাডাম একজন ভদ্রমহিলাকে। আপনার হাজবেন্ড্ ফোন করেছিলেন।
    সৌমেন ভট্টাচার্য নামে একটা ছেলে গতকাল রাতে মার্ডার হয়েছে। ছেলেটা ঐন্দ্রিলা নামে একটা বাচ্চা মেয়ের রেপ কেসে প্রাইম একিউস্ট ছিল। মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ এর কাজ করতো। এছাড়াও পরে বেশ কিছু রিপোর্ট পাওয়া গেছে ওর নামে।
    মহিলাটি সুপ্রিয় বাবুকে বললেন আপনারা ভেতরে আসুন না..; একটু চা খেয়ে যান?
    আমার গা হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বললাম কি যে বলো তুমি; উনারা এত রাতে ডিউটিতে বেরিয়েছেন কি চা খাওয়ার জন্য? সুপ্রিয় বাবু বললে না না বৌদি; ঠিক আছে একটু চা করুন খেয়ে যাই। আপনাদের বাড়িতে তো আসা হয় না ।মাথাটা ঝিঁমঝিঁম করছে আর আজ রাতটা তো এই এলাকাতেই কাঁটাতে হবে। কারণ খুনি এখানেই কোথাও লুকিয়ে আছে।
    আমার মনে একটা ভয় হল সুপ্রিয় বাবু ৩০ বছর পুলিশের সার্ভিস করছেন। ক্রিমিনালদের শরীরে একটা গন্ধ থাকে। সেটা কিছুতেই লুকানো যায়না। তাহলে কি তিনি কিছুটা আঁচ করতে পেরেছেন !!
    আমি সুপ্রিয় বাবুকে নিয়ে গিয়ে ডাইনিং রুমে বসালাম। হঠাৎ মনে পড়ল ডাইনিং রুমে আমার আর পূজার ছঁবিটার কথা। পেছনে ঘুরে দেখলাম ছবিটা নেই। আমি মনে মনে বললাম এই মহিলা কোন সাধারণ মহিলা নয়। এতোটুকু সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ই সমস্ত প্রমান সরিয়ে ফেলেছে।

    মহিলাটি সুপ্রিয় বাবুকে জিজ্ঞাসা করলেন -আপনি কি দুধ চা খাবেন না লিকার? সুপ্রিয় বাবু আমার ডাইনিং রুম টা ভালো করে চারিপাশ চোখ ঘুঁরিয়ে ঘুঁরিয়ে দেখছিলেন। বললেন হ্যাঁ দুধ চাই করুন। আমার আবার এসব ডায়াবেটিস ফায়াবেটিস নেই।
    মহিলাটি আস্তে আস্তে আমার রান্না ঘরে গিয়ে ঢুকলো। আমার শিঁড়দাড়া বেয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত বয়ে যাচ্ছিল। ঘরের ভেতরে মহিলাটার রক্তাক্ত কাপড়, তারপর ঐ ছুঁরিটা তারপর মহিলাটির পায়ের ছাপ সবকিছুই তো আছে। দেখলাম বাইরে একটা কুকুর ভৌ ভৌ করছে।
    কিছুক্ষণ পরে মহিলাটি একটা ট্রে তে করে চা-বিস্কুট সমস্ত কিছু নিয়ে এলো।
    মহিলাটি মাথার চুলটা ঘাড়ের পেছনে তুলে নিয়ে সুপ্রিয় বাবুকে বলল- ওর মুখে আপনার অনেক নাম শুনেছি। আজকাল এই এরিয়াতে খুনখারাপি বড্ড বেড়ে গেছে।
    আজকাল মানুষ কত নৃশংস হতে পারে ভাবুন! এই সৌমেন নামের ছেলেটা মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ এর কাজ করে, কতই বা বয়স ৩০-৩২। একটা বাচ্চা মেয়ে ৫ বছরের ঐন্দিলা নাম; ওকে নাকি রেপ করে মার্ডার করে পুঁতে দিয়েছিল সেই ফ্ল্যাটের নীচে!!

    সুপ্রিয় বাবু বললেন কিন্তু আপনি এত কিছু কি করে জানলেন?
    মহিলাটি একটু হেসে বলল - খবরের কাগজে সমস্তকিছুই পড়েছি। কিন্তু আপনারা ছেলেটিকে অ্যারেস্ট করতে এত দেরি করলেন কেন সেটাই বুঝতে পারলাম না।

    সুপ্রিয় বাবু বললেন অ্যারেস্ট করতে আর পারলাম কোথায় ম্যাডাম? প্রায় পাঁচ মাস ধরে বাচ্চা মেয়েটার বডিটা ওই ফ্ল্যাটের নীচে পোঁতা ছিল। প্রথমে তো ঠিকঠাকভাবে আইডেন্টিই করা যাচ্ছিল না। কারণ এর মধ্যে ওরকম আরো দু তিনটে ঘটনা ঘটেছে।

    সুপ্রিয় বাবু চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন বাহ অপূর্ব ।
    আপনার হাতের চা খাওয়ার জন্য দেখছি এবার মাঝেমাঝেই আসতে হবে?
    তবে ম্যাডাম আপনি খুবই লাকি যে মুখার্জি বাবুর মতন এরকম একজন ভালো মানুষ কে হাজবেন্ড হিসেবে পেয়েছেন।
    কিন্তু একটা কথা বলছি কিছু মনে করবে না; আমি যতদূর শুনেছিলাম যে আপনাদের ডিভোর্স হয়ে গেছিল ।
    আমার বুকের ভেতরটা কেমন কেঁপে উঠলো।
    এতক্ষণ এই প্রশ্নটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।
    মহিলাটি বলল কি আর করবো বলুন স্যার, এত বছর একসাথে সংসার করলাম কেমন একটা মায়া পড়ে গেছে। এই ঘর, এই বাড়ি, প্রত্যেকটা ছোট ছোট জিনিস। তাই মাঝে মাঝে চলে আসি কিছুদিন থাকি আবার চলে যা,।
    সুপ্রিয় বাবু বললেন একদম একদম আর যাবার দরকার নেই ম্যাডাম এখানে থেকে যান পার্মানেন্টলি। যা হওয়ার হয়ে গেছে। মুখার্জী বাবুর মতন ভালো মনের মানুষ কিন্তু এই এলাকাতে খুব কমই আছে। মহিলাটি আমার দিকে তাকিয়ে এক অপূর্ব হাসি হাসলো।
    চায়ের কাপটা আমার মুখে দেওয়ার সাহস হলো না। এই মহিলাটি এখন যেকোন কিছুই করতে পারে। বলা যায়না চায় যদি আবার কিছু মিশিয়ে দিয়ে থাকে।

    সেদিন রাতের বেলায় সুপ্রিয় বাবু দেড়টা পর্যন্ত আমার বাড়িতে বসে রইলেন। চা খাওয়ার পর সুপ্রিয় বাবু আমাকে বললেন চলুন একটু ছাদে যাওয়া যাক?
    আমি মনে মনে সাহস পেলাম। আমার মাথায় তখনো পূজার ঘরে রাখা রক্তমাখা ছুরি আর কাপড়টা ঘুরছে। আমরা ছাঁদে এসে দাঁড়ালাম । আজকে দোল পূর্ণিমা। চাঁদ যেন চারিদিকে আলোকিত করে তুলেছে। সুপ্রিয় বাবু আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন আচ্ছা পূজা ম্যাডাম সাথে বিয়ে হয়েছে আপনার কত বছর হল?
    আমি বললাম ২০১৩ তে।
    সুপ্রিয় বাবু সিগারেটে একটা জোরে টান দিলেন; আচ্ছা মিস্টার মুখার্জি আপনার এখন বয়স কত?
    আমি বললাম আমার thirty-four হলো জানুয়ারিতে।
    আমার যতদূর মনে হলো আপনার স্ত্রী আপনার সমবয়সী হবেন?

    প্রশ্নটা শুনে আমার বুঁকের ভেতরটা ধক করে উঠল। পূজা এমনিতেই বয়সে আমার থেকে আট বছরের ছোট ছিল। এটা হয়তো কখনো সুপ্রিয় বাবুর সাথে আলোচনা করেছিলাম। কি করিনি তা মনে করতে পারছিনা।
    সুপ্রিয় বাবু বললেন প্রিয়া আর সুইটি বলে মেয়ে দুটো একমাস ধরে মিসিং।
    হঠাৎ সুপ্রিয় বাবুর ফোনটা বেজে উঠলো।
    -হ্যাঁ স্যার আমরা এরিয়াটা ভালোভাবে দেখে নিয়েছি। মেয়েটির কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি।
    সুপ্রিয় বাবু বললেন কি বলছো? ওই দিকে না গেলে কোথায় যাবে?
    আচ্ছা মিস্টার মুখার্জি আপনি কি নিশ্চিত আপনি মেয়েটাকে ঐদিকে পালাতে দেখেছেন?
    আমি বললাম হ্যাঁ ঐ দিকেই গেছে।
    আচ্ছা ইন্দ্রনীল বাবু, এরকম নয় তো যে আপনি অন্য কাউকে দেখেছেন? মেয়েটা হয়তো আপনার বাড়িতে কোথাও লুকিয়ে আছে?
    আমি বললাম আমার সেরকম মনে হয়না। সুপ্রিয় বাবু বললেন আমরা এখন আসছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোর হয়ে যাবে। ভদ্রমহিলা যদি আপনার বাড়িতে কোথাও লুকিয়ে থাকেন আপনার জন্য বিপদজনক হতে পারে?
    আমি বললাম আমাকে নিয়ে চিন্তা করবেন না। আমি আমার নিজের আত্মরক্ষা নিজেই করতে পারব। সুপ্রিয় বাবু তার দলবল নিয়ে চলে গেলেন।

    আমি দেখলাম মেয়েটা রান্নাঘরে স্যান্ডউইচ তৈরি করছে।
    আমি চিৎকার করে বললাম-আপনার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে ?কি দরকার ছিল এই নাটকটা করার? এখন আপনাকে আর কেউ বাঁচাতে পারবে না। আজ নয়তো কাল পুলিশ ঠিক জানতে পারবে আপনি আমার স্ত্রী নন। তখন আপনাকে কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাবে।
    আপনি আমার বাড়িতে লুকিয়ে থাকলে কেউ খুব একটা সন্দেহ করতো না। মেয়েটি স্যান্ডউইচ গুলো গপাগপ করে খেতে আরম্ভ করল। আমাকে বললো আমার খুব মটন বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছে করছে।
    আমি চেঁচিয়ে বললাম আপনার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে? রাত তিনটের সময় মটন বিরিয়ানি কোথায় পাবো?
    ভদ্রমহিলা হাত ধুয়ে ডাইনিং রুমে একটা চেয়ারে গিয়ে বসলেন হাতে রিভলবারটা আমার দিকে তাক করে বললেন আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব সত্যি কথা বলবেন?

    মিথ্যা কথা বললে আপনার মাথার খুঁলি উড়িয়ে দেব। তারপরে আমি নিজেও সুইসাইড করবো।
    আমি সামনের চেয়ারটাতে গিয়ে বসলাম। বোতল থেকে এক গ্লাস জল ঢেলে খেলাম।
    ভদ্রমহিলার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছে। ভদ্রমহিলা বললেন আপনি পুলিশকে কি কি বলেছেন আমার ব্যাপারে সত্যি কথা বলুন?
    আমি বললাম আমি পুলিশকে আপনার ব্যাপারে বললে আপনি এতক্ষণ লকআপে থাকতেন।
    ভদ্রমহিলা চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালেন আমার দিকে এগিয়ে এসে আমার কপালে রিভলবারটা ঠেকালেন।
    আপনি পুলিশকে মিথ্যা কথা কেন বললেন আমার ব্যাপারে? এটা জেনেও যে আমি একটা খুনি। আমি পুলিশ চলে যাবার পর আপনাকে খুন করতে পারি? আর তার জন্য আমি একবারও ভাবব না?

    আমি বললাম ম্যাডাম সেই ভুলটা যে আপনি করবেন না সেটা আমি ভালো করেই জানি ।
    আমাকে খুন করতে চাইলে আপনি অনেকক্ষণ আগেই করতে পারতেন। আমি অনেক এরকম ক্রিমিনালদের কে নিয়ে পড়াশোনা করেছি এবং আমি একজন ক্রাইম নোবেল রাইটার। একজন ক্রিমিনাল কি চিন্তা করে আর কি করে সেগুলো আমি ভালো করেই জানি। আপনি কোন পেশাদারী খুনি নন। আপনি যে খুনটা করেছেন খুব একটা ভাবনা চিন্তা করে করেননি। এখন আপনার মধ্যে একটা ভয় কাজ করছে। আপনি আইনের হাত থেকে ও ফাঁসির দঁড়ি থেকে নিজেকে বাঁচাতে চাইছেন। আর আপনি চাইছেন যে আমি আপনার হয়ে কেসটা লড়ি আর আপনাকে বাঁচাই। আর সেই জন্যই আপনি আমার বাড়িতে এসেছেন।
    ভদ্রমহিলা আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাঁসলেন।
    ব্রিলিয়েন্ট ! ভদ্রমহিলা আমাকে বললেন তার মানে আপনি আমার হয়ে কেসটা লড়বেন তো?
    আমি বললাম কিন্তু তার আগে আপনার পুরো গল্পটা শুনতে চাই। আপনি কাকে কাকে খুন করেছেন? আর কেনই বা খুন করেছেন?
    ভদ্রমহিলা চেঁচচিয় বললেন আমি যাকে খুন করেছি সে একটা পশু। সে একটা বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ করে নিশংস ভাবে মাটিতে পুঁতে দিয়েছিল। ঐন্দ্রিলা নামে পাঁচ বছরের যে বাচ্চাটা; মেয়েটির রেপ হয়েছিল। আমি সৌমেন এর বৌদি রমা।.........

    ইন্দ্রনীল মুখার্জী
    Part 7

    (আলোকবর্তিকা ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগৃহীত) 

    👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রায় সকল পোস্ট-ই ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।] 

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728

    আমরা আপনাকে বিনামূল্যে আমাদের আপডেট গুলি পাঠাতে যাচ্ছি। প্রথমে আপনার অনুলিপি সংগ্রহ করতে, আমাদের মেইলিং তালিকায় যোগ দিন। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, অকেজো তথ্য প্রেরণ করে আপনাকে বিরক্ত করবো না। সুতরাং কোনও আপডেট মিস করবেন না, সংযুক্ত থাকুন!