সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম "দ্যা প্রিন্ট"-এ শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে একটা আর্টিকেল ছাপা হয়েছে। শেখ হাসিনা নিউ দিল্লীর লু'টেয়ানস নামে একটা জায়গায় একটা পশ বাংলোতে বসবাস করছে। লু'টেয়ান নিউ দিল্লীর সবচেয়ে পশ এরিয়ার একটা। এখানে মন্ত্রী, এমপিরা বসবাস করে। এর পাশেই ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। সো বুঝতেই পারছেন কি পরিমাণ সিকিউরিটি এই এরিয়াতে।
দ্যা প্রিন্ট বলছে, হাসিনার প্রতিনিয়ত বিপুল সংখ্যক সিকিউরিটি মোতায়েন আছে। সে মাঝে মধ্যে দিল্লীর লোধী গার্ডেন ঘুরতে যায়। তাঁর মেয়ে আসে তাঁর সাথে দেখা করতে, তাঁর সাথে থাকে, সঙ্গ দেয়। মানে দিল্লীতেও সে অত্যন্ত আরামে, রিল্যাক্সডভাবেই আছে।
 |
| ছবিঃ ফেসবুকের গল্প |
রিপোর্টটা পরে আমি মোটেও অবাক না। এটাই তো হবার কথা। দিল্লী তাঁর সবচেয়ে পুরনো এবং বিশ্বস্ত খাদেমাকে এতটুকু যত্ন তো করবেই, তাই না? শেখ হাসিনাই তো বলেছিল, দিল্লীকে যা দিয়েছি সেটা তারা আজীবন মনে রাখবে! আমার হাসি পায় এখনো কিছু আবুল আর বলদ সমর্থকদের দেখে। তারা ঘর থেকে বের হলেই বেদম পিটানি খাচ্ছে। রাস্তা-ঘাটে-অনলাইনে অপমান-অপদস্ত হচ্ছে। কিন্তু তারা এখনো আশায় আছে হাসিনা টুপ করে দেশে ঢুকে পড়বে। তাদের যাবতীয় ক্ষোভ ড. ইউনুস, সমন্বয়ক, বিএনপি- জামায়াতের প্রতি। মানে এরাই তাদের দুরাবস্থার জন্য দায়ী!
কাম অন ! সে তোমাদেরকে মৃত্যুর মুখে রেখে পালায় গেছে । তোমাদেরকে যখন দরকার হয়েছে ব্যবহার করেছে, এরপর টিস্যু পেপারের মত ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। এখন তোমাদেরকে যে পাচ্ছে সেই ইয়ে মেরে দিচ্ছে। এর জন্য দায়ী শুধু এবং শুধুমাত্র তোমাদের নেতা। সে পালিয়ে যেয়ে তোমাদের প্রত্যেকটা সংগঠনকে জাস্ট গলা টিপে হত্যা করেছে । দেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে চিরতরে কবর দিয়ে গেছে । তোমাদের কাছে খারাপ লাগতে পারে, হতাশ লাগতে পারে। বাট এটাই ট্রু!
হাসিনার প্রত্যেকটা প্রজন্ম ইউরোপ-আমেরিকায় সেটেলড। যে মুহুর্তে তোমরা মুখোশ পড়ে ভোর রাতে মিছিল বের করে নিজের লয়ালটির জানান দিতে চাইছো, সেই মুহুর্তে হাসিনা আরাম করে দিল্লীর নরম বিছানায় ঘুমাচ্ছে আর তাঁর কুপুত্র আমেরিকাতে ফরেন মাল গিলছে। তাঁর চোদ্দ গুষ্টি যে পরিমাণ টাকা দেশ থেকে নিয়ে গেছে, সেটা দিয়ে পরবর্তী ৭-৮ প্রজন্ম এমনিতেই বসে বসে খেতে পারবে। অথচ তুমি আ***ল দ্যা গ্রেট, লয়ালটি মারাতে গিয়ে ফেরারী আসামী হচ্ছ। তোমার পরিবারকে বিপদে ফেলছ।
দ্যা ফ্যাক্ট ইজ, সি নেভার লাভড ইউ, সে নেভার বিলিভড ইন দিজ কান্ট্রি ! এই দেশটা তাঁর এবং পরিবারের জন্য স্রেফ দুগ্ধবতী গাভী ছিল। তারা চেটেপুটে খেয়েছে, ভারতকে দিয়ে চাটিয়েছে। যখন দেখেছে গাভীর দুধ অবশিষ্ট নেই তখন জবেহ করে খেয়ে ফেলতে চেয়েছে। ৫ আগস্ট আমরা জাস্ট একটা অসুস্থ রুগ্ন গাভীকে জবেহ করার হাত থেকে বাঁচাতে পেরেছি। বাট এই মুহুর্তে এই দেশে আর বেশী কিছু অবশিষ্ট নেই।
এক আবরার ফাহাদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। আর ২,০০০+ মানুষের শরীরে অনেক র'ক্ত থাকে। এই রক্তের দাগ শুকাতে আরো বহু বছর লাগবে। এটা না শুকানো পর্যন্ত মানুষ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে কখনো ভুলবে না। সো তুমি যদি ফ্যামিলি ম্যান হয়ে থাকো, তোমার বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তানের প্রতি যদি তোমাদের মায়া থাকে তাহলে নিজেকে নিয়ে ভাবো। হয়ত নেতার পেছনে ঘুরে ক্যারিয়ার হয়নি, আয়-রোজগারের ব্যবস্থা করোনি। ডু ইট ইমিডিয়েটলি।
এইসব মা**রচো**র পেছনে লওয়ালটি দেখাই নিজের এবং নিজের পরিবারকে বিপদে ফেইলো না। দে ডোন্ট ডিজার্ভ ইট !
(
MD Shohel Rana ফেসবুক আইডি থেকে সংগৃহীত)
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]
No comments