রোজা পার্কস এবং মন্টগোমারি বাস বয়কট
এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন ড. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, তখন মাত্র ২৬ বছর বয়সী এক তরুণ যাজক। তিনি শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধের মাধ্যমে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি উদাহরণ স্থাপন করেন। বয়কটের ফলে বাস কোম্পানিগুলো অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়, এবং শহরের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো আফ্রিকান-আমেরিকানদের ক্রয় বন্ধ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রায় এক বছর পর, ১৯৫৬ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত মন্টগোমারির বাসে বর্ণবৈষম্য আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। এই রায় শুধু রোজা পার্কসের বিজয় নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে ওঠে।
রোজা পার্কসের এই নির্লজ্জ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ পুরো পৃথিবীতে মানবাধিকারের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা দেয়। তাঁর প্রতিবাদ সাধারণ মানুষের অসাধারণ ক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে পরিণত হয়। রোজা পার্কস পরে বলেন, "আমি ক্লান্ত ছিলাম, তবে শরীরের ক্লান্তিতে নয়, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করার ক্লান্তিতে।"
রোজা পার্কস এবং মন্টগোমারি বাস বয়কটের গল্প শুধুমাত্র আমেরিকার ইতিহাস নয়, বরং সমগ্র পৃথিবীর জন্য এক অনুপ্রেরণা। এটি প্রমাণ করে যে একটি মানুষের সাহসী সিদ্ধান্ত একটি জাতিকে পরিবর্তনের পথে পরিচালিত করতে পারে।
ছবিঃ ফেসবুকের গল্প
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]

No comments