বর্তমানে যারা শিক্ষকদের পদত্যাগ দেখে মায়া কান্না করছেন তাদের জন্যই আমার এই পোস্ট।
শিক্ষককে লাঞ্ছিত করা ও পদত্যাগ করানো কখনোই সমর্থন করি না। তবে বর্তমানে যারা শিক্ষক লাঞ্ছনার বিষয়ে পোস্ট দিচ্ছেন, কমেন্টস করছেন এবং "শিক্ষকের মর্যাদা" কবিতাটি পোস্ট করছেন,
বিগত দিনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সহ শত শত মেধাবী শিক্ষকদেরকে যখন লাঞ্ছিত করা হচ্ছিল,
তখন কি তারা প্রতিবাদ করেছিলেন এবং "শিক্ষকের মর্যাদা" কবিতাটি পোস্ট করেছিলেন? উনারা কি তখন শিক্ষক ছিলেন না?
তাই বর্তমানে যারা তথাকথিত শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করা হচ্ছে বলে আওয়াজ তুলতে চাইছেন, তাদের বলছি, জানেন তো - "ইট টি মারলে, পাটকেল টি খেতে হয়"।
যদিও শিক্ষক লাঞ্চিতের পক্ষে আমি নই, কিন্তু বর্তমানে যারা শিক্ষক লাঞ্চিত করছে বা পদত্যাগে বাধ্য করছে তাদেরকে আমি ঘৃণা করিনা, বরং সমর্থন করি।
কারণ শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। এই মেরুদণ্ডকে যারা ভেঙ্গে চুরে চুরমার করে দিয়েছে তাদেরকে আমি শিক্ষক মনে করি না। তারা শিক্ষক নামের কলঙ্ক, এক একটা নরপশু।
আমাদের কাছে স্পষ্ট তথ্য প্রমানাদি আছে, শিক্ষক নামের অনেক নরপশু গত ১৫ বছরে অনেক মেধাবী নিরপরাধ ছাত্রদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অন্যায়ভাবে বহিষ্কার করেছে। এমনকি অনেক লম্পট শিক্ষক বিপদগামী ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত থেকেছে। পরীক্ষায় ফেল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে TC দেয়া ইত্যাদির হুমকি দিয়ে
অনেক ছাত্রীদেরকে যৌন নিপীড়ন করেছে।
সুতরাং প্রিয় তথাকথিত সু-শীল !!
আপনাদেরকেই বলছি, বেশি সুশীলগিরি দেখাইয়েন না। পাছে আপনারাও লাঞ্চনার শিকার হন কিনা সে সম্ভববনাও একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।
০২/০৯/২৪ ইং
ছবি ক্রেডিট : ইন্টারনেট
(
দেশের গল্প-দশের গল্প/জীবনের গল্প-যৌবনের গল্প এর ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]
No comments