একটি নতুন জীবনের সূচনা (পর্ব ৫)
বিকেলের আলো ছড়িয়ে পড়েছে। সায়রা আজ লেখার জন্য প্রস্তুত। ঘরে ফিরে এসে, সে তার নোটবুক হাতে নেয় এবং গতকালকের বৃদ্ধের কথা লিখতে শুরু করে। তার অভিজ্ঞতা, অনুভূতি—সবকিছু জড়িয়ে যায় একাকার হয়ে।
লেখার
সময়,
সে
হঠাৎ
একটি
শব্দ
শুনে
থেমে
যায়।
নিচের
তলায়
বাবা-মায়ের কথা। তাদের
মধ্যে
ঝগড়া
হচ্ছে।
সায়রার
হৃদয়ে
হাহাকার অনুভব
করে।
পরিবারের মধ্যে
যখন
টানাপোড়েন হয়,
তখন
তার
একাকীত্ব যেন
আরও
প্রকট
হয়ে
ওঠে।
লেখা
থামিয়ে
সায়রা
একটু
মন্থর
হয়ে
যায়।
মা
যদি
আরো
একবার
হাসি
দিয়ে
দিনটি
কাটাতে
পারতেন,
তাহলে
কি
হত?
কিংবা
বাবার
কাছে
কোনো
গল্প
শুনতে
পারলে?
সায়রা
মাথা
ঝাঁকিয়ে আবার
লেখার
দিকে
ফিরে
আসে।
আজকের
দিনটি
থেকে
সে
কিছু
শেখার
চেষ্টা
করবে।
লেখার
মাধ্যমে নিজের
বেদনা
প্রকাশ
করে,
সে
নতুন
আশার
সূচনা
করতে
চায়।
সন্ধ্যায়, সে
আবার
পার্কে
যায়।
আজ
সেখানে
ভিড়
বেশি।
কিন্তু
সায়রা
জানে,
সে
তার
নতুন
বন্ধুদের খুঁজে
পাবে।
যখন
সে
পৌঁছায়,
তখন
তরুণী
সেখানেই বসে।
“সায়রা!
আজ
তো
দারুণ
সবুজ
দেখছি!”
তরুণী
হাসি
দিয়ে
বলে।
“হ্যাঁ, সত্যি!
আজ
কিছু
নতুন
লেখার
চেষ্টা
করছি।”
সায়রা
আগ্রহ
নিয়ে
জানায়।
“দারুণ! আসুন,
আমি
আপনাকে
কিছু
নতুন
আইডিয়া
দেই।”
তরুণী
সায়রাকে বিভিন্ন দৃশ্য
দেখায়
এবং
কীভাবে
সেগুলোকে কবিতা
বা
গল্পে
রূপ
দিতে
হয়
তা
বোঝায়।
হঠাৎ,
একজন
যুবক
তাদের
সামনে
এসে
দাঁড়ায়। “আপনারা
কি
লেখক?”
যুবক
জিজ্ঞেস করে।
“কিছুটা, আমরা
গল্প
লেখার
চেষ্টা
করছি,”
সায়রা
সঙ্কোচ
নিয়ে
বলে।
“দারুণ! আমি
একজন
ফটোগ্রাফার। আমি
এখানে
ছবি
তোলার
জন্য
এসেছি।
আপনাদের যদি
কোনো
ছবি
দরকার
হয়,
বলুন।”
যুবক
উজ্জ্বল হাসি
দিয়ে
বলে।
তরুণী
সায়রাকে ইঙ্গিত
দেয়,
“দেখুন,
এটা
কি
উপযুক্ত হতে
পারে?”
সায়রা
বুঝতে
পারে,
এই
যুবকটি
তাদের
নতুন
গল্পের
একটি
অংশ
হয়ে
উঠতে
পারে।
তারা
একসাথে
পার্কের বিভিন্ন জায়গায়
ঘুরতে
থাকে।
যুবকটির ক্যামেরার মাধ্যমে সায়রা
নতুন
করে
দেখতে
শুরু
করে
তার
চারপাশ।
যুবকটির কথা,
হাসি
এবং
চিত্রগুলো সায়রার
মনে
নতুন
সৃষ্টি
নিয়ে
আসে।
একসময়
সায়রা
বুঝতে
পারে,
লেখার
জন্য
মানুষ,
অনুভূতি, এবং
স্মৃতি—এসবই গুরুত্বপূর্ণ।
রাতের
আকাশে
তারা
যখন
দেখছে,
সায়রা
সবার
মধ্যে
একটি
বিশেষ
বন্ধন
অনুভব
করে।
“আপনারা
জানেন,
আমাদের
প্রত্যেকের জীবনেই
গল্প
আছে।
শুধু
সেটাকে
খুঁজে
বের
করার
প্রয়োজন।” সায়রা
বলে।
তরুণী
ও
যুবক
দুজনেই
মাথানত করে।
এদিন
সায়রা
বুঝতে
পারে,
মানুষের জীবনের
অন্ধকারগুলোও গল্পে
পরিণত
হতে
পারে।
বেদনাকে মোকাবেলা করে,
সে
নতুন
নতুন
বন্ধন
তৈরি
করতে
পারে।
বাড়ি
ফেরার
সময়,
সায়রার
মনে
এক
নতুন
আশা
জাগে—এখন সে আর
একা
নয়।
এই
দিনের
অভিজ্ঞতা তাকে
সৃজনশীলতার পথে
নিয়ে
গেছে।
৬ষ্ঠ পর্ব পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন।
( ইমেইল থেকে পাওয়া )
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]

No comments