• সাম্প্রতিক

    চলচ্চিত্রের পর্দায় নির্যাতিত নিপিড়িত মানুষ

    চলচ্চিত্রের পর্দায় নির্যাতিত নিপিড়িত মানুষের হয়ে অভিনয় করা অভিনেতা সৈয়দ আখতার আলী। অভিনেতা সৈয়দ আখতার আলী ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ অক্টোবর, আসামের ধুবড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। চারু ও কারুকলায় ডিপ্লোমা করে পরবর্তী সময়ে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।
    ‘নদী ও নারী’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রে আগমন। সাদেক খান পরিচালিত ছবিটি মুক্তিপায় ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে। সৈয়দ আখতার আলী অভিনীত অন্যান্য ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য- সেতু, সারেং বউ, কী যে করি, সূর্যদীঘল বাড়ি, বড় মা, এখনই সময়, সুরুজ মিঞা, বংশধর, শ্যামল ছায়া, প্রভৃতি।
    অভিনয়ের পাশাপাশি একসময় বেশ কিছু ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন সৈয়দ আখতার আলী। পরিচালক হিসেবেও নাম লিখিয়েছিলেন। একসময়ের জনপ্রিয় খলঅভিনেতা, জাম্বুকে নায়ক করে ‘নাবালক’ নামে একটি ছবি পরিচালনার কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু সে ছবিটি আর শেষ করতে পারেননি ।
    সৈয়দ আখতার আলী অসংখ্য ছবিতে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয়ে করছেন। তাঁর অভিনীত চরিত্রগুলো সবসময়, অসহায়- বঞ্চিত-লাঞ্ছিত আর শোষণে জর্জরিত মানুষের প্রতিবিম্ব ছিল। চেহারা ও শারীরিক গঠন এবং অভিনয় দক্ষতার কারনে নির্মাতারাও তাকে এমন চরিত্রেই বেশী নির্বাচন করতেন। আর তিনিও তাঁর অভিনয় প্রতিভার গুণে চরিত্রকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলে সিনেমা দর্শকদের নজর কাড়তেন। মনে রাখার মতো কোনো চরিত্রে হয়তো তিনি কাজ করেননি! তবুও তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের, ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবেন।

    প্রাণের কামারখন্দ ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগৃহীত) 



    👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728

    আমরা আপনাকে বিনামূল্যে আমাদের আপডেট গুলি পাঠাতে যাচ্ছি। প্রথমে আপনার অনুলিপি সংগ্রহ করতে, আমাদের মেইলিং তালিকায় যোগ দিন। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, অকেজো তথ্য প্রেরণ করে আপনাকে বিরক্ত করবো না। সুতরাং কোনও আপডেট মিস করবেন না, সংযুক্ত থাকুন!