কিছুদিন পরে, সোহান দেখল ভিক্ষুকটি তার জন্য একটি রান্না করা খাবার নিয়ে এসেছে। এই অপরিচিত মানুষের দয়া ও ভালোবাসা সোহানের হৃদয় ছুঁয়ে গেল। সে উপলব্ধি করল, ভালোবাসা এবং সহানুভূতি অর্থের চেয়েও বড়।
একদিন, সোহান ও ভিক্ষুকটি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিল। সোহান তার রিকশা চালানোর অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে এবং ভিক্ষুকটির কাছে ছিল জীবনের নানা সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার দক্ষতা। তারা প্রথমে একটি খাবারের দোকান খুলল, যেখানে স্থানীয় স্বাদ ও নৈশভোজ পরিবেশন করা হত।
কঠোর পরিশ্রম, একসঙ্গে ভাবনা ও সাহসিকতা তাদের সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেল। তাদের ব্যবসা দ্রুত প্রসারিত হতে লাগল, এবং তারা স্থানীয় উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেল। তারা অসহায়দের জন্য কাজ করতে শুরু করল, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং শিক্ষা প্রকল্পে সহায়তা করতে লাগল।
সোহান ও ভিক্ষুকটির গল্প মডেল হয়ে উঠল, যেমনটা করেছিলেন টমসের প্রতিষ্ঠাতা ব্লেক মাইকোসকি, যিনি এক জুতা বিক্রির মাধ্যমে অসহায়দের জন্য সাহায্য করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তারা বুঝতে পারল, ভালোবাসা ও সহানুভূতির শক্তি কেবল তাদের জীবনই বদলায়নি, বরং পুরো সমাজের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।
সর্বশেষে, তাদের বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসা, মানবতার জন্য এক নতুন স্বপ্নের সূচনা করল—যেটি ছিল একটি দেশকে পরিবর্তন করার এক অনন্য যাত্রা।
-গালিব
চিটাগাং আইডিয়াল হাই স্কুল
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
Post Top Ad
ফেসবুকের গল্প তে আপনাকে স্বাগত। এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনো লেখা বা মতামতের জন্য 'ফেসবুকের গল্প' কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।
Post Bottom Ad

No comments