• সাম্প্রতিক

    পুরুষের ভালোবাসা অসম্ভব সুন্দর

    হাসিবের স্ত্রী উপমা-'১টা সন্তান দিতে পারো-না! কেমন পুরুষ তুমি?
    হাসিব-'সময় হোক আপনি হবে। প্লিজজ... এই সব নিয়ে আর চিল্লাচিল্লি করিওনা। স্ত্রী উপমা-'চিল্লাচিল্লি করবোনা মানে। বিয়ে ৬ বছর হয়ে গেলো একটা সন্তান এখনো পযর্ন্ত হলোনা। হাসিব-'আরে হবে হবে ধৈর্য ধরো। উপমা-'আমি আর ধৈর্য ধরতে পারবোনা। আমি তোমাকে ডিভোর্স দিতে চাই হাসিব। হাসিব-'পাগল হয়ে গেছো তুমি? সব সময় ডিভোর্স ডিভোর্স করো। উপমা-'তুমি যে কখনোই আমাকে মাতৃত্বেই স্বাদ দিতে পারবেনা সেইটা আমি ভালো করেই জানি। হাসিব : এটা তোমার ভুল ধারনা। উপমা-'আমার ধারনা কখনোই ভুল হতে পারেনা। আমারা যতোবার ডাক্তারের কাছে গিয়েছি ততোবার ডাক্তার কি বলছে না বলছে বা রিপোর্টে কি আছে সেটা আমাকে দেখাওনি। এর মানে এটাই বুঝায় তুমি একটা হিজড়া, ৩য় লিঙ্গের মানুষ। তুমি কখনোই বাবা হতে পারবেনা। স্ত্রীর মুখে এমন কথা শুনামাত্রই হাসিব রাগান্বিত হয়ে ঠাসসস করে কষে একটা থাপ্পড় দিয়ে দিল !! হাসিব-'অনেক কথা বলা শিখে গেছো তাইনা। ঠিক আছে যাও আমাকে ডিভোর্স দাও। উপমা-'হ‍্যা ডিভোর্সেই দিবো তোমাকে। হাসিব : ঠিক আছে দিও। এর পরে হাসিবের স্ত্রী উপমা কান্না করতে করতে নিজের বেডরুমে এসে শুয়ে পরে। এই কান্না করতে করতে এক্সময় ঘুমিয়ে পড়ে। উপমার ঘুম ভাঙ্গার পর দেখতে পায় ঘড়িতে রাত একটা বাজে। কিন্তু তার পাশে হাসিব নেই। যা দেখে উপমা একটু আশ্চর্য হয়। কারন এত রাত পযর্ন্ত কখনোই হাসিব বাহিরে থাকেনা। তাই হাসিবকে খুজতে বেডরুমের বাহিরে আসতেই উপমা দেখতে পায় তার শাশুড়ির রুমে এখনো লাইট জ্বলছে। যার রুমে রাত ৮টা বাজলেই অন্ধকার হয়ে যায় তাঁর রুমে এত রাতে বাতি জ্বলতেছে কিছুতো কাহিনী আছে !! এসব ভেবে উপমা চুপিসারে রুমের কাছে যেতেই শুনতে পায়- 'দেখ হাসিব, আমি চাই তুই উপমাকে ডিভোর্স দে। ওই মেয়ে কখনোই মা হতে পারবে না? সেটা তুই ভালো করেই জানিস। এছাড়া আমারও তো ইচ্ছে করে নাতিপুতির মুখ দেখতে-এসব কথা হাসিবের মা বলতে লাগল... হাসিব-বিশ্বাস করো মা আমি উপমাকে অনেক ভালবাসি। ওকে আমি ডিভোর্স দিতে পারবো না।
    ও যতই মা হতে না পারুক !
    হাসিবের মা-'তোকে যে এত অপমান করে….কেমনে সহ্য করিস এসব !! তুই বলে দিতে পারিস না….? যে; সমস্যা আমার না সমস্যা তোমার। হাসিব : মা কেন বুজতে পারছোনা…? যদি বলি উপমা তুমি কখনো মা হতে পারবে না তাহলে মেয়েটা অনেক কষ্ট পাবে, নিজেকে খুবই অপরাধী মনে করবে। মা-'তাই বলে এতো কিছু সয্য করবি ? হাসিব-আমার কোন সমস্যা নেই মা। বিশ্বাস করো সে অনেক ভালো আর লক্ষী একটা মেয়েটা।
    স্বামীর মুখে এসব শোনার পর উপমা সেখানেই কান্না করে ফেলে। আর মনে মনে ভাবতে থাকে… এই ফেরেস্তার মতো ভাল স্বামীটাকে কতোই না কষ্ট দিয়েছি আমি এতদিন। আল্লাহ্ তুমি আমাকে মাপ করে দিও। সত্যি-ই পুরুষের ভালোবাসা অসম্ভব সুন্দর !! সেটা সব নারী বোঝে না?

    (ফেসবুকের গল্প-Facebooker Golpo ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত) 
     Join our Facebook group


    👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728

    আমরা আপনাকে বিনামূল্যে আমাদের আপডেট গুলি পাঠাতে যাচ্ছি। প্রথমে আপনার অনুলিপি সংগ্রহ করতে, আমাদের মেইলিং তালিকায় যোগ দিন। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, অকেজো তথ্য প্রেরণ করে আপনাকে বিরক্ত করবো না। সুতরাং কোনও আপডেট মিস করবেন না, সংযুক্ত থাকুন!