পারস্যের বাদশা নওশিরওয়ান একবার জঙ্গলে হরিণ শিকারে গিয়েছিলেন। হরিণ শিকার করে তার গোশত দিয়ে কাবাব তৈরি করতে হুকুম দিলেন। ঘটনাক্রমে তাদের সঙ্গে লবণ ছিল না। লবণ আনার জন্য এক ভৃত্যকে গ্রামে পাঠানো হলো। বাদশাহ বলে দিলেন: খবরদার! লবণ যেন দাম দিয়ে কিনে আনা হয়। আমার সম্মানে কেউ যদি খুশি হয়ে দেয়, তবুও বিনামূল্যে আনবে না। তাতে একটা কুপ্রথা চালু হয়ে যাবে।
সঙ্গীরা বললেন: সামান্য একটু লবণ আনলে তাতে কী এমন মারাত্নক ক্ষতি হবে?
বাদশাহ বললেন: অন্যায়ের ভিত্তি প্রথমত খুব ক্ষুদ্রই থাকে। পরে যে আসে সে একটু বাড়ায়, এমনি করে গোটা দুনিয়া অন্যায়ে ছেয়ে যায়।
এ গল্প থেকে আমরা বুজতে পারলাম যে, রাজা-বাদশাহরা সামান্য অন্যায় কাজ করলেও প্রজারা তা অবশ্য পালনীয় কাজ বলে মনে করে। সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কোনো ছোট অপরাধ করলে সাধারণ লোকেরা তা দ্বিগুণ উৎসাহের সাথে করতে থাকে। তাই তাদের এমন কোন অপরাধ করা উচিত নয়; যা সাধারণ জনগণকে অপরাধ ও পাপের দিকে ধাবিত করে।
Join our Facebook group
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
Post Top Ad
ফেসবুকের গল্প তে আপনাকে স্বাগত। এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনো লেখা বা মতামতের জন্য 'ফেসবুকের গল্প' কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।
Post Bottom Ad

No comments