• সাম্প্রতিক

    বাংলাদেশের প্রথম বিলিওনিয়ার

    ছাত্র জীবন থেকেই টুকটাক ব্যবসা শুরু। বাবার মৃত্যুর পর হাতে তুলে নেন পারিবারিক আমদানি রপ্তানির ব্যবসা। তাতে মোটামুটি সচ্ছল জীবন যাপন করতেন আজিজ খান। তবে ৯০ দশকের শেষে সরকারের একটি সিদ্ধান্ত তাকে নিয়ে গেছে বিশ্বে বিলিনিয়ারদের ছোট্ট একটি তালিকায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ দেয়। সেটিই লুফে নেন আজিজ খান।

    বিএনপি আমলে বিদ্যুৎ খাত ধুকলেও ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরলে পোয়াবারো হয় আজিজ খানের। কারণ, এরপর থেকেই একের পর এক বিদ্যুৎকেন্ত্র আসছে বেসরকারি খাতে। সামিট পাওয়ারের হাতেই ১৮টি।

    সেই বিদ্যুৎ ব্যবসায় ফুলে ফেঁপে উঠেছেন আজিজ খান। ২০২৪ সালে বিশ্বের শত কোটিপতিদের যে তালিকা তৈরি হয়েছে, সেখানে একমাত্র বাংলাদেশি তিনি। বিশ্বে তার চেয়ে ধনী মানুষের সংখ্যা কেবল ২ হাজার ৫৮১ জন।

    এই ব্যবসায় নেমে এখন আজিজ খানের সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১১০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। দেশে অন্য কারও এত সম্পদ আছে, তা কখনও প্রকাশ পায়নি। সে হিসেবে তাকে দেশের শীর্ষ ধনীই বলা যায়! তার এই সম্পদের হিসাব প্রকাশ করেছে আমেরিকান ম্যাগাজিন ফোর্বস। তারা ২০২৩ সালেও সিঙ্গাপুরের ৫০ জন ধনী ব্যক্তির তালিকা করেছিল, সেখানে তার অবস্থান ছিল ৪১। সিঙ্গাপুরের ধনীদের তালিকায় নাম থাকার কারণ হল আজিজ খান এখন সেখানেই বসবাস করছেন।

    Faporbaz -ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত )




    👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728

    আমরা আপনাকে বিনামূল্যে আমাদের আপডেট গুলি পাঠাতে যাচ্ছি। প্রথমে আপনার অনুলিপি সংগ্রহ করতে, আমাদের মেইলিং তালিকায় যোগ দিন। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, অকেজো তথ্য প্রেরণ করে আপনাকে বিরক্ত করবো না। সুতরাং কোনও আপডেট মিস করবেন না, সংযুক্ত থাকুন!