মাতৃত্ব ও সৌন্দর্যের অনন্যতা -
মা হওয়া নারীর জীবনে এক অসামান্য অধ্যায়, যা তার চেহারায় ও ব্যক্তিত্বে অভূতপূর্ব সৌন্দর্য এনে দেয়। মাতৃত্বের মমতা, স্নেহ এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসা নারীর মুখে এক অনন্য আভা ফুটিয়ে তোলে। এ সৌন্দর্য কেবল বাহ্যিক নয়; এটি হৃদয়ের গভীর অনুভূতি ও অনুপ্রেরণার প্রতিফলন। মাতৃত্ব নারীর জীবনে এক নতুন অধ্যায়, যা তাকে করে তোলে পরিপূর্ণ, দৃঢ় এবং অনন্য। সত্যিই, মা হওয়ার পর নারীর সৌন্দর্য যেন কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
পবিত্র কুরআনে মায়ের মর্যাদাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আমি মানুষকে তার মা-বাবার সাথে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে গর্ভে ধারণ করেছেন এবং তার দুধ ছাড়ানো হয়েছে দুই বছরে।"
(সূরা লোকমান: আয়াত-১৪)
মায়ের এই ত্যাগ ও ভালোবাসা তাকে করে তোলে বিশেষ। মাতৃত্বের প্রতিটি পদক্ষেপ একজন নারীর চেহারায় স্নেহময় এক সৌন্দর্য নিয়ে আসে, যা আল্লাহর সৃষ্টি ও রহমতের এক অসামান্য নিদর্শন।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মাতৃত্বের সৌন্দর্য প্রমানিত হয়। মাতৃত্ব নারীর শারীরিক ও মানসিক গঠনে অভাবনীয় পরিবর্তন আনে। সন্তান জন্মদানের পর শরীরে "অক্সিটোসিন" হরমোনের বৃদ্ধি ঘটে, যা মায়ের মন-মেজাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই হরমোন মায়ের মুখে এক প্রশান্তি এনে দেয়। গর্ভকালীন সময়ে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পাওয়ায় ত্বকের উজ্জ্বলতা ও চেহারায় এক আলাদা আভা দেখা যায়।বস্তুতঃ মা হওয়া কেবল একটি নারীর জীবনের নতুন অধ্যায় নয়, এটি তার সৌন্দর্যের নতুন সংজ্ঞাও দেয়। কুরআন এবং বিজ্ঞান উভয়ই প্রমাণ করে যে, মা হওয়ার পর নারীর চেহারা এবং মন-মেজাজে এক অনন্য পরিবর্তন আসে। নিঃসন্দেহে, মা হওয়া নারীর জীবনে এক মহিমান্বিত অধ্যায়, যা তার সৌন্দর্যকে কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে।
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টগুলো ফেসবুক এবং ইমেইল থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]

No comments