লেখক--আলী ইউছুফ
---------------------------
নবী নুহ ও লুত (আ:) কেন জান্নাতে যাবে এবং
তাদের স্ত্রীরা কেন জাহান্নামে যাবে?
পক্ষান্তরে আমরা কেন জাহান্নামে যাবো এবং
আমাদের স্ত্রীরা কেন জান্নাতে যাবে ??
======================================================================
আল্লাহতায়ালা মানুষের হেদায়েতের জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসুল দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। আল্লাহর প্রেরিত এসব নবী-রাসুলগণ নিষ্পাপ ও জান্নাতি। নবী-রাসুলগণ অবশ্যই জান্নাতে যাবেন এতে কোনো সন্দেহ নেই। কেননা তাঁরা আল্লাহর পক্ষ থেকে দুনিয়ার বুকে রিসালাতের দায়িত্ব পালন করেছেন। রিসালাত শব্দের আভিধানিক অর্থ বার্তা, চিঠি, বাণী পরগাম, সংবাদ বা কোনো ভালো কাজের দায়িত্ব বহন করা। ইসলামি পরিভাষায় মহান আল্লাহ তায়ালার পবিত্র বাণী মানুষের নিকট পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বকে রিসালাত বলা হয়৷ আর যিনি এ দায়িত্ব পালন করেন তাঁকে নবী বা রাসুল বলা হয়।
নবী-রাসুলগণ নিজেদের পক্ষ থেকে কোনো কথা ও কাজ কখনো করেননি। আল্লাহর পক্ষ থেকে যতটুকু কথা ও কাজের নির্দেশ তাঁরা পেয়েছেন ঠিক ততটুকুই তাঁরা করেছেন। এর বাইরে কিঞ্চিৎ পরিমান কথা ও কাজ তাদের পক্ষ থেকে কখনো সংঘটিত হয়নি। আল্লাহর বিশেষ দয়া ও ইচ্ছায় তাঁরা সকল প্রকার পাপ কাজ থেকে মুক্ত ছিলেন। তাই নবী-রাসুলগণ অবশ্যই
নিষ্পাপ বা মাসুম তথা জান্নাতী।
নবী-রাসূলদের নিষ্পাপ হওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ পাক
পবিত্র কোরআনে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ভাবে
সুস্পষ্ট বর্ণনা পেশ করেছেন। আল্লাহতায়ালা বলেন-
(১) তিনি ছিলেন অঙ্গীকারে সত্যাশ্রয়ী, তিনি ছিলেন রাসূল-নবী। (সূরা মারইয়াম : ৫৪)।
২) আমরা তোমাদের নিকট সত্য নিয়ে এসেছি এবং আমরা অবশ্যই সত্যবাদী। (সূরা আল হিজর : ৬৪)
(৩) আমি আমার রবের বাণী তোমাদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছি, আর আমি তোমাদের একজন বিশ্বস্ত হিতাকাংখী। (সূরা আল আ’রাফ : ৬৮)
(৪) অবশ্যই তোমাদের নিকট সুসংবাদ দানকারী ও সতর্ককারী আগমন করেছেন।
(সূরা আল মায়িদাহ : ১৯)
(৫) আমি তো বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য সুসংবাদদানকারী সতর্ককারী বৈ কিছু নই।
(সূরা আল আ’রাফ : ১৮৮)
(৬) নিশ্চয়ই হে নবী! আপনি উত্তম চরিত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। (সূরা আল ক্বালাম : ৪)
(৭) অবশ্যই আমি তোমাদেরকে এমন কিতাব দিয়েছি যা নিশ্চিত জ্ঞানের দ্বারা বিশদ ব্যাখ্যা করেছি, তা’ বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য হেদায়েত ও করুণা।
(সূরা আল আ’রাফ : ৫২)
(৮) আমি তোমাদের নিকট তাবলীগের জন্য পারিশ্রমিক কামনা করি না। আমার পারিশ্রমিক তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীনই দান করবেন।
(সূরা আশশুরা : আয়াত ১০৯)
(৯) তোমাদের সাথী বিপথগামী, বিভ্রান্ত হননি।
(সূরা আন নজম : ২)
মোটকথা নবী-রাসুলগণ ব্যতীত অন্য কোনো মানুষ নিষ্পাপ বা মাসুম নয়। একমাত্র নবী-রাসুলরাই উন্নত চরিত্র ও হকের উপর অধিষ্ঠিত এবং সত্যবাদী। তাঁরা
বিপথগামী ও বিভ্রান্ত নয়। তাই তাঁরা পাপমুক্ত এবং মাসুম। সুতরাং তাঁরা অবশ্যই জান্নাতী।
এই হিসাবে নবী রাসুলদের নির্দেশিত হক ও বিশুদ্ধ পথে যারা চলেছেন তারাও জান্নাতী। যেমন নবীদের সহচর বা সাহাবীগণ। তাঁরা নবী-রাসুলের অনুসরণ অনুকরণে সত্যাশ্রয়ী ছিলেন বিধায় নিষ্পাপ ও জান্নাতী। প্রত্যেক নবী রাসুলদের কম বেশ অসংখ্য সাহাবী ছিলেন। তাদের উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। তাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেন-
"রাদিআল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহুম" অর্থাৎ আল্লাহ তাদের উপর সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট। (সুরা-আল মুজাদালা: আয়াত-২২))
সে হিসাবে বর্তমান ও ভবিষ্যতে যারা নবী-রাসুলদের
সঠিক পথ অনুসরণ অনুকরণের মাধ্যমে হক ও বাতিলের পার্থক্য মেনে চলবে তারাও আল্লাহর ভালোবাসা, ক্ষমা ও অনুগ্রহ পাওয়ার মাধ্যমে অবশ্যই জান্নাত লাভ করবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন-
"কুল ইন কুনতুম তুহিব্বুনাল্লাহ ফাত্তা বিউনী ইউহ বিব কুমুল্লাহ ওয়া ইয়াগ ফিরুলাকুম যুনুবাকুম"
অর্থাৎ "বল, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর, আল্লাহও তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন" (সুরা-আলে ইমরান:আয়াত-৩১)
তাহলে বুজা গেল নবীর অনুসরনের মাধ্যমে আল্লাহর ভালোবাসা ও অনুগ্রহ লাভ করা যাবে এবং ক্ষমাপ্রাপ্ত বা পাপমুক্ত হয়ে জান্নাত লাভ করা যাবে ইনশাআল্লাহ।
--------------------------------------------------------
অন্যদিকে দিকে নবী নুহ ও লুত আলাইহিস সালামের স্ত্রীরা নবীর স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও জাহান্নামি হয়েছে। কারণ তারা আল্লাহর নবী তথা স্বামীর বিরুদ্ধচারণ করেছিল এবং স্বামীর মনোকষ্টের কারণ হয়েছিল। অর্থাৎ তারা নিজেদের মর্জিমাফিক চলেছিল।
উল্লেখ্য যে, চরিত্রগত ভাবে এদের স্ত্রীরা খারাপ ছিলনা। কিন্তু চরিত্রবানদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ছিল। তারা নবীদের কাছে যারা ঈমান নিয়ে আসতো তাদের তথ্য অন্যের কাছে ফাঁস করে দিতো। তারা লোকদেরকে স্বামীর দোষ বর্ণনা করে বেড়াতো। এমনকি নবীদের ব্যাপারে একথা বলে বেড়াতো যে- এ লোক একজন পাগল তথা মানসিক রোগী। তারা তাদের স্বামীর নামে চোগলখুরী করতো। স্বামীর নামে কুৎসা রটনা বা বদনাম বলে বেড়াতো। তারা হকপন্থী স্বামীর সন্তুষ্টির চেয়ে অবিশ্বাসী বাতিল পন্থী লোকদের সন্তুষ্টির ব্যাপারে বেশি তৎপর ছিল। স্বামীর রাজী খুশির চেয়ে অপরের রাজি খুশিকে বেশি গুরুত্ব দিত।
এই কথা উল্লেখ করে মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে বলেন,
"আল্লাহ তায়ালা অবিশ্বাসীদের জন্যে নুহ-পত্নী ও লুত-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। তারা ছিল আমার দুই ধর্মপরায়ণ বান্দার গৃহে। অতঃপর তারা তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল। ফলে নুহ ও লুত তাদেরকে আল্লাহ তায়ালার কবল থেকে রক্ষা করতে পারল না এবং তাদেরকে বলা হলো, জাহান্নামীদের সঙ্গে জাহান্নামে চলে যাও।" (সূরা: তাহরিম : আয়াত ১০)।
এই আয়াতে খেয়ানত শব্দ উল্লেখ করা হয়েছে।
তাফসীরে এসেছে, এখানে খেয়ানত বলতে নবীদের স্ত্রীরা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছিল এটি বুঝানো হয়নি।
বরং তারা নবীদের সঙ্গে ঈমানের পথে হাটেনি এবং তারা নবীদের বিরুদ্ধে নবীর শত্রুদের সহযোগিতা করতো। তারা নবীর শত্রুদের সাথে সদ্ভাব রাখতো আর নবীর সাথে ও নবীর বন্ধুদের সাথে দুর্ব্যবহার করতো।
অর্থাৎ এদের স্ত্রীরা স্বামী এবং সত্যের পথে যারা ছিল তাদের বিরুদ্ধ চারণ করতো। গোপনে বা তলে তলে শত্রুদের সাথে সম্পর্ক রাখতো এবং স্বামীর বিরুদ্ধে অন্যদের বলে বেড়াতো। মোটকথা এরা স্বামীর অনুগত ও বাধ্য ছিলনা। সারাজীবন স্বামীকে দূ:খ কষ্ট ব্যাথায় জর্জরিত করেছিল এবং অবাধ্যতা করেছিল। যার ফলে নবী তথা হক পন্থীদের সঙ্গে সংসার করা সত্বেও তারা চির জাহান্নামী হয়ে গেল।
-------------------------------------------------------
অপরপক্ষে আল্লাহতায়ালা বিশ্বাসী ও নেক্কার নারীদের উদ্দেশ্যে ফেরাউনের স্ত্রী হজরত আসিয়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন।
স্ত্রী আসিয়া ফেরাউন ও তার লোকের অত্যাচারে আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন ঠিকই কিন্তু ফেরাউনের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ বা বদদোয়া কখনো করেনি। আবার তার কোনো দোষও বলে বেড়াননি। আসিয়া কাফের স্বামীর স্ত্রী হয়েও স্বামীর অনুগত ও বাধ্য ছিল। স্বামীর সম্মান বা ইজ্জদের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করেনি। সবসময় স্বামীকে সম্মান করতো।
কাফের স্বামী ফেরাউন কর্তৃক দিনের পর দিন নির্মম অত্যাচার নির্যাতন এবং আঘাতে আঘাতে যখন জর্জরিত ও রক্তাক্ত হচ্ছিল তখনও স্ত্রী আসিয়া অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রেমময় দৃষ্টিতে স্বামীর মায়া ও ভালোবাসার প্রত্যাশী ছিলেন। ফেরাউন তার হাত ও পায়ে পেরেক দিয়ে আটকিয়ে মাথার ওপ গরম তেল ঢেলে দিয়েছিলেন। যার ফলে তার মাথার চুল ও চামড়াগুলো ওঠে গিয়েছিল।
শেষমেষ অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে শুলে চড়িয়ে আসিয়ার শরীরে যখন আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছিল
তখনও তিনি ধৈর্য্যের চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে মনে মনে আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশ করছিলেন। জীবন মৃত্যুর সেই সন্ধিক্ষণেও আসিয়া স্বামীর প্রতি কোনোরূপ কটুকথা বা অশোভন আচরণ করেননি। এমনকি স্বামীর বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে কোনোরূপ অভিযোগও দায়ের করেননি। দাউ দাউ করে প্রচন্ড আগুনে তাঁর সারা শরীর ঝলসে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছিলেন। সেই নির্মম ও কঠিন মূহুর্তেও তিনি স্বামীর সাথে কোনোরূপ অশোভন আচরণ করেননি এমনি লানতও দেননি। এর বিপরীতে তিনি দায়াময় আল্লাহকে বলেছিলেন -"হে আল্লাহ, জান্নাতে আমার জন্য একটা ঘর বানিয়ে দিও।"
স্ত্রী আসিয়ার এমন ধৈর্য, ঈমান এবং স্বামীর প্রতি
সম্মান ও অনুগত থাকার চরিত্র এবং আচরণকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লার কাছে এতবেশি পছন্দ হয়েছিল যে, মহান আল্লাহতায়ালা অতিশয় সন্তুষ্ট হয়ে আসিয়ার কথাগুলোকে পরবর্তী মুমীন স্ত্রীদের জন্য উদাহরণ হিসেবে পবিত্র কুরআনে কোড করে দিলেন এবং বলেন-
"আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের জন্যে ফেরাউন-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। সে বলল: হে আমার পালনকর্তা! আপনার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে একটি গৃহ নির্মাণ করুন, আমাকে ফেরাউন ও তার দুষ্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে জালেম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।" (সূরা: তাহরিম, আয়াত: ১১)
এ আয়াতের আলোকে বুঝা যায় যে, ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়ার স্বামী বাতিল পন্থী হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহর কাছে তার ব্যাপারে কনোরূপ বদদোয়া করেননি এবং তার কোনো দোষও বর্ণনা করেননি। শুধুমাত্র তার অত্যাচার ও দুষ্কর্ম থেকে নিজেকে উদ্ধার করার আবেদন করেছেন। আল্লাহতায়ালা স্বামীদের সম্মান ও অধিকারের ব্যাপারে বিশ্বাসী তথা নেক্কার নারীদের শিক্ষা এবং সতর্কতার জন্য উক্ত আয়াত তুলে ধরেছেন।
অতএব উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা জানলাম নবী রাসুলগণ কেন জান্নাতে যাবে আর নবীর স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও কিছু নবীর স্ত্রীরা কেন জাহান্নামে যাবে।
পাশাপাশি নবীর স্ত্রী না হওয়া সত্বেও একজন সাধারণ মুসলিম নারী কিভাবে জান্নাতী হলেন তাও আমরা জানতে পারলাম।
-------------------------------------------------------------------
পক্ষান্তরে আমরা জানবো আমরা কেন জাহান্নামে যাবো এবং আমাদের স্ত্রীরা কেন জান্নাতে যাবে...??
এর উত্তর একদম সোজা ও পরিষ্কার।
আমরা যদি উপরে বর্ণিত সাহাবীদের মত নবী-রাসুলের সঠিক অনুসরণ অনুকরণের মাধ্যমে হক ও বাতিলের পার্থক্য নির্ণয় করে না চলি বা আল্লাহ এবং রাসুলের নির্দেশিত পথে না চলি তাহলে আমরা আল্লাহব ভালোবাসা ও অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হয়ে জাহান্নামে যাবো। যা আমাদের কারো কাম্য নয়।
আর আমাদের সমাজের স্ত্রীরা যদি নবী নুহ ও লুত (আ:) এর স্ত্রীদের মত স্বামীদের বিরুদ্ধে না চলে এবং স্বামীর বিরুদ্ধে থাকা ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের পক্ষে অবস্থান না নেয় এবং নিজেদের মর্জিমাফিক
না চলে, পাশাপাশি ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়ার মত নেক ও সত্যের পথে অটল থাকে এবং হকপন্থী স্বামীর অনুগত ও বাধ্য থাকে তাহলে অবশ্যই তারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে এবং জান্নাতী হবে।
নারীদের জান্নাতে যাওয়ার ব্যাপারে আল্লাহর রাসুল (স:) ৪ টি বিষয়ের দিকে ইংগিত করে বলেন-
(১) পাঁচ ওয়াক্ত সালাত।
(২) রমজানের সিয়াম।
(৩) লজ্জাস্থান বা পর্দার হেফাজত।
(৪) স্বামীর আনুগত্য।
এই চারটি আমলের বিনিময়ে নারীরা জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
(সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৪১৬৩;
মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৬৬১)
রাসুল (স:) আরো বলেন-
"আল্লাহ সেই নারীর প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন না, যে স্বামীর সন্তুষ্টি আদায় করে না।"
(সুনানে নাসায়ী, হাদিস : ৯০৮৭)
আল্লাহতায়ালা আমাদের সমাজের প্রত্যেক মুসলিম নারী তথা স্ত্রীদেরকে তাদের স্বামীর হক আদায় তথা যথাযথ মর্যাদা ও সন্তুষ্টির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করে ইহকাল ও পরকালকে শুভ, সভ্য, সুন্দর ও জান্নাতী হওয়ার তৌফিক দান করুন, আমিন।
ছবি: Google-
জর্দানে মৃত সাগরের পাড়ে স্বামীর অবাধ্য হওয়ার কারণে আল্লাহর গজবে দুনিয়াতেই কঠিন শাস্তি প্রাপ্ত নবী লুত (আ:) এর স্ত্রী পাথর হয়ে যাওয়ার জীবন্ত সাক্ষী।
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
Post Top Ad
ফেসবুকের গল্প তে আপনাকে স্বাগত। এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনো লেখা বা মতামতের জন্য 'ফেসবুকের গল্প' কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।
Post Bottom Ad


No comments