দুই মাথা ওয়ালা জানোস দেবতার পূজারী খ্রিস্টানরা থার্টি ফাস্ট নাইটের আবিষ্কারক। আর জানোস থেকেই জানুয়ারি মাসের নামকরণ। যারা ৩১ ডিসেম্বর রাত বারোটা পর্যন্ত জানোস দেবতার পিছনের মাথার সামনেরগিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করত পূজা করত এই উদ্দেশ্যে যে এই মাথা বিগত এক বৎসরে সকল কল্যাণ অকল্যাণ দান করেছ। নাউজুবিল্লাহ। অতঃপর যখন রাত বারোটা বেজে যায় সঙ্গে সঙ্গে সামনের মাথার দিকে এসে এই দেবতার পূজা আর্চণা করা হয় তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এই উদ্দেশ্যে যে আগামী এক বছর দেবতার এই মাথা কল্যাণ অকল্যান এর ফায়সালা করবেন। নাউজুবিল্লাহ। এই উপলক্ষে আনন্দ উৎসব করা হয় এভাবেই থার্টি ফাস্ট নাইট এর উৎপত্তি হয়। অতএব বর্তমানে যেসব মুসলমানরা থার্টি ফাস্ট নাইট পালন করছেন তারা কি একবারও ভেবে দেখেছেন আমাদের এই কর্মকাণ্ড কাদের সাথে মিলে যাচ্ছে? অজান্তেই আমরা শিরকে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছি কি না? ঈমান হারা হয়ে যাচ্ছি কিনা সেদিকে কি আমরা একটুও ভেবেছি? মনে রাখবেন যারা থার্টিফার্স্ট নাইট পালন করছেন খ্রিষ্ট মতবাদকে লালন করছেন। মূর্তি পূজাকে সমর্থন করছেন। আপনার মাঝে আর খ্রিস্টান জানোস দেবতা পূজারীদের মাঝে কোন পার্থক্য নেই। রব এই অবুঝ উম্মাহকে সঠিক বুঝ দান করুন, হেদায়েত দান করুন। আমীন।
(মেরাজ তাহসীন এর ফেসবুক আইডি থেকে সংগৃহীত)
👉 👉 [এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রায় সকল পোস্ট-ই ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। উক্ত লেখার বক্তব্য ও দায়-দায়িত্ব লেখকের একান্ত নিজস্ব। তাই প্রকাশিত লেখার বিষয়ে কোনো মতামতের জন্য এডমিন দায়ী নয়।]
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
Post Top Ad
ফেসবুকের গল্প তে আপনাকে স্বাগত। এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনো লেখা বা মতামতের জন্য 'ফেসবুকের গল্প' কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।
Post Bottom Ad

No comments